Image description

নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আগামী ২১ জানুয়ারি পে-কমিশনের পূর্ণ সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন কমিশন তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করে সরকারকে জমা দেবে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পে-স্কেল নিয়ে অনুষ্ঠিত পূর্ণ কমিশনের সভায় এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পে-কমিশনের একজন সদস্য দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, ‘২১ জানুয়ারি পে-কমিশনের শেষ সভা হবে। এই সভাতেই পে-স্কেলের যাবতীয় বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এর আগে আরও একটি পূর্ণ সভার সম্ভাবনা রয়েছে।’

কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, সময় কম থাকায় তারা দ্রুততার সঙ্গে সুপারিশ চূড়ান্ত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

এদিকে, নবম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৮ হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। ১:৮ অর্থাৎ সর্বনিম্ন গ্রেড (২০তম) সরকারি কর্মচারীর বেতন যদি ১ টাকা হয়, তাহলে সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতন হবে ৮ টাকা। এর মানে, ১০০ টাকা সর্বনিম্ন বেতন হলে সর্বোচ্চ হবে ৮০০ টাকা।

সর্বনিম্ন বেতনের জন্য তিনটি প্রস্তাব পে-কমিশনের কাছে এসেছে। প্রথম প্রস্তাবে ২১ হাজার টাকা, দ্বিতীয় প্রস্তাবে ১৭ হাজার টাকা এবং তৃতীয় প্রস্তাবে ১৬ হাজার টাকা বেতন ধরা হয়েছে। এর মধ্যে যেকোনো একটি চূড়ান্ত হতে পারে।

সর্বোচ্চ বেতনের স্কেল এখনো চূড়ান্ত হয়নি, কারণ বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য ভাতার বিষয়াদি এখনও নির্ধারণ হয়নি। এই পে-স্কেল চূড়ান্ত হলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।