জোটে না গিয়ে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয় দলটি।
ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জামায়াত আদর্শচ্যুত হয়নি এবং কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্যও করা হয়নি। তিনি দাবি করেন, সম্মিলিতভাবেই এগিয়ে চলার একটি প্রক্রিয়া চলছিল।
তিনি আরও বলেন, জোটভুক্ত ১০ দলের মধ্যে ইতোমধ্যে ২৫৩টি আসনের বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৪৭টি আসন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিষয়ে জোটের লিয়াজোঁ কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে না, এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করবে।
তিনি বলেন, আমরা যে নীতি-আদর্শকে ঘিরে জোটবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নেমেছিলাম, এখন সেই নীতি-অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচনের আগেই যেহেতু প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সমঝোতা হয়ে যাচ্ছে, কাজেই প্রশ্ন উঠছে এটি ইলেকশন হবে নাকি সিলেকশন।
পাতানো নির্বাচন হতে পারে এমন শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইসলামী আন্দোলন ২৭০ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। এর মধ্যে দু’জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। বাকিদের এখনো ভোটের মাঠে থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া বাকি ৩২টি আসনেও আমরা সমর্থন দেবো। সে ক্ষেত্রে কাদের সমর্থন দেয়া হবে, সেটি পরবর্তীতে জানানো হবে। আমাদের লক্ষ্য, নীতি-আদর্শের সঙ্গে যাদের মিল হবে, সৎ-যোগ্য ক্যান্ডিডেট, তাদের আমরা সমর্থন দেবো।



