ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার কোটি মানুষ আপন নীড়ে ফিরতে শুরু করেছেন। বুধবার (১৮ মার্চ) ভোর থেকেই সেতুর উত্তর টোল প্লাজার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকায় যাত্রীবাহী দূরপাল্লার বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের বাড়তি চাপ দেখা গেছে। সড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন যাত্রীরা।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক আলতাফ হোসেন জানান, ঈদের ছুটির প্রথম দিন ১৭ মার্চ ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩৮ হাজার ৫১৭টি যানবাহন পদ্মা সেতু পারাপার করেছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ টাকা।
তিনি জানান, ১৮ মার্চ মধ্যরাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও ১৮ হাজার ৬০৩টি যানবাহন সেতু পারাপার করেছে। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ টাকা।
সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫৭ হাজার ১২০টি যানবাহন পদ্মা সেতু ব্যবহার করেছে এবং মোট টোল আদায় হয়েছে ৬ কোটি ৩১ লাখ ৮৫ হাজার ৪০০ টাকা।
আলতাফ হোসেন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। আজ সারাদিনই যান চলাচল আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছি।
সেতু এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক তদারকিতে থাকায় যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।



