Image description

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার পদ্ধতিতে দ্রুত পাঠাতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর। অধিদফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বিল দাখিল না করলে সংশ্লিষ্টদের বেতন প্রক্রিয়াকরণে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি এম আব্দুল হান্নানের সই করা চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য দিলে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর টাকা ইএফটিতে না পৌঁছালে তার সব দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপরই বর্তাবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ইএমআইএস সিস্টেমে লগ-ইন করে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসের এমপিও বিল অনলাইনে জমা দিতে হবে। সেখানে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এমপিও-ইএফটি মডিউলে প্রবেশ করবেন।

ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য দেওয়ার কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর অর্থ ইএফটিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে তার দায় প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

পাশাপাশি সাবমিট করা বিলের কপি ডাউনলোড করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির স্বাক্ষরসহ সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে তা নথি হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

চিঠিতে আরও বলা হয়, তালিকাভুক্ত কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী মৃত্যুবরণ বা পদত্যাগ করলে সংশ্লিষ্ট মাসের প্রাপ্য অর্থ বিধি অনুযায়ী নির্ধারণ করে বিল জমা দিতে হবে। একইভাবে সাময়িক বরখাস্ত, অনুমোদনহীন অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে বেতন কর্তন বা স্থগিতের প্রয়োজন হলে তা বিল সাবমিট অপশনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

অধিদফতর জানিয়েছে, শুধু আইবাস প্লাস প্লাস পদ্ধতিতে যাচাইকৃত ভ্যালিড তথ্যই বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত রয়েছে। যাদের তথ্য এখনও সংশোধন বা যাচাই হয়নি, সঠিক তথ্য প্রাপ্তির পর তা যুক্ত করা হবে।

সময়সীমার মধ্যে নির্ভুল তথ্যসহ বিল জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ইএফটি পদ্ধতিতে প্রেরণ সম্ভব হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।